ঢাকা মঙ্গলবার, জুলাই ২১, ২০২৬


https://www.ajkerbazzar.com/wp-content/uploads/2025/06/728X90_Option.gif

সাবেক রূপালী ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ২৫ বছরের কারাদণ্ড


স্মার্ট প্রতিনিধি
১১:৫১ - মঙ্গলবার, জুলাই ২১, ২০২৬
সাবেক রূপালী ব্যাংক ব্যবস্থাপকের ২৫ বছরের কারাদণ্ড

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা এক মামলায় লক্ষ্মীপুরের রামগতি বাজার শাখার সাবেক রূপালী ব্যাংক ব্যবস্থাপক মো. আবদুল মজিদকে ২৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৮ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অর্জিত ১ কোটি ২৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৪৩ টাকার সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত আবদুল মজিদ (৪৮) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কাফিলাতলি এলাকার মৃত আমিনুল হকের ছেলে। তিনি রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের রামগতি বাজার শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়।

দুদক সূত্রে জানা যায়, আবদুল মজিদ ২০০৭ সালের ১৪ নভেম্বর থেকে ২০১৩ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত রামগতি বাজার শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ সময় তিনি ব্যাংকের বিভিন্ন হিসাব থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেন। এর মধ্যে এসটিডি হিসাব নম্বর-৪ থেকে ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৭৯৮ টাকা, এসটিডি হিসাব নম্বর-৬ থেকে ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ১১৭ টাকা এবং সরকারি কর্মচারীদের পেনশন বাবদ উত্তোলিত ১৬ লাখ ৩০ হাজার ২৩১ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। এছাড়া ব্যাংকিং নীতিমালা লঙ্ঘন করে আরও অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে মোট ৭০ লাখ ৫৭ হাজার ১৪৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে। পরবর্তীতে দুদকের তদন্তে তার বিরুদ্ধে সর্বমোট ১ কোটি ২৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৪৩ টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়।

নোয়াখালী দুদকের পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জহির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলার তদন্ত শেষে তৎকালীন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. হোসাইন শরীফ ও সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আজগর হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত দণ্ডবিধির ৪৬৭ ধারায় ১০ বছর, ৪০৯ ধারায় ১০ বছর এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। পৃথক তিন ধারার সাজা একত্রে ভোগ করার নির্দেশে মোট ২৫ বছরের কারাদণ্ড কার্যকর হবে।